ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতের তথাকথিত জান্নাতের টিকিট জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে: রাশেদ খান মামলা নিয়ে ভাবছি না, সরকারের নিজস্ব আইনে তদন্ত চাই: তাহসিফের বাবা তাহসিফ মৃত্যুর রহস্য: পিবিআইর জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল বন্ধু দ্বীপ ভারত থেকে আমদানি করা চালে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান, বিতরণ স্থগিত জাপানে ফ্লাইটে ত্রুটির ঘটনায় বিমানের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চাকরির বহাল তবিয়তে ওকালতি! বিপাকে সরাইল থানার ওসি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন নারিতায় বিমানে ত্রুটি: সফরসঙ্গীদের নিয়েই দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা রহস্য: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্ধু দ্বীপকে হেফাজতে নিল পিবিআই সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের মরদেহ আসছে শনিবার

ইন্দোনেশিয়ায় ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৬:৫২ পিএম

ইন্দোনেশিয়ায় ভোরে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৬.৪ মাত্রার আরও একটি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ভোরবেলার মূল ভূমিকম্পের তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ও স্থানীয় সূত্রের তথ্যানুযায়ী, সকালের প্রথম শক্তিশালী ভূমিকম্পটি পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপে আঘাত হানে। পরবর্তীতে আঘাত হানা ৬.৪ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ান্তার শহরে।

ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিষয়ক বৈশ্বিক ওয়েবসাইট 'ভলকানো ডিসকভারি' জানায়, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে উত্তর সুমাত্রার পেমাতাংসিয়ান্তার শহরের অদূরে ১৬৩ কিলোমিটার গভীরে দ্বিতীয় ভূকম্পনটি আঘাত হানে। উৎপত্তিস্থল গভীর হওয়ায় দ্বিতীয় কম্পনে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে তা স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

এদিকে ভোরের প্রলয়ঙ্করি ভূমিকম্পের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, বিভিন্ন এলাকায় ভবন ধসে পড়া ছাড়াও লোকজনকে প্রাণভয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।

পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের সিক্কা শহরের বাসিন্দা ইয়োহান্না এমবু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি-কে জানান, "ভূমিকম্পের তীব্রতায় আমাদের শহরের অনেকগুলো বাড়িঘর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। মানুষ চরম আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। আমি নিজে চোখের সামনে বন্দর এলাকার একটি বহুতল ভবন ভেঙে পড়তে দেখেছি।"

প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন যে, ভোরবেলা হঠাৎ ভবন ও ঘরের ছাদ ধসে পড়ায় ঘুমানো অবস্থাতেই একাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, কেবল একটি প্রদেশেই ৫৪টি ঘরবাড়ি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি গুদাম ধসে গেছে। প্রাদেশিক প্রশাসনের তথ্যমতে, মাংগারাই এলাকাটিকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর