ক্রীড়া ডেস্ক
উয়েফা নেশনস লিগের এক হাইভোল্টেজ ও রোমাঞ্চকর ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে গেছে থমাস টুখেলের দল ইংল্যান্ড। লন্ডনের বিখ্যাত ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি স্বাগতিকরা।
ম্যাচ শুরুর মাত্র ১০৭ সেকেন্ডেই ডিফেন্ডার মার্ক গুয়েহির মারাত্মক ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুর্দান্ত এক গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল। তবে দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে ইংলিশরা। জুড বেলিংহামের সঙ্গে চমৎকার বোঝাপড়ায় বল পেয়ে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান অ্যান্থনি গর্ডন। এর ঠিক তিন মিনিট পর মার্ক কুকুরেয়েলার গায়ে লেগে বল জালে জড়ায়, ফলে হ্যারি কেইনের হেড থেকে আসা গোলে ২-1 ব্যবধানে এগিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে স্বাগতিক দল। জুড বেলিংহাম ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। তবে স্পট কিক নিতে গিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে শট ক্রসবারে মারেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। সুযোগ হারানোর এই খেসারত দ্রুতই দিতে হয় তাদের। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের মুঠোয় নেয় লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। নিকো ও’রাইলির ভুলের সুযোগ নিয়ে দারুণ শটে সমতা ফেরান আলেক্স বায়েনা। এরপর বায়েনার নিখুঁত পাস থেকে চমৎকার চিপ শটে বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ৩-২ করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।
খেলার শেষ মুহূর্তে পরাজয় এড়াতে আক্রমণ শানিয়েও গোলের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড। ফলে নেশনস লিগের ‘লিগ এ’ পর্বে জয় দিয়েই নিজেদের অভিযান শুরু করল শিরোপাধারী স্পেন। ম্যাচ শেষে কোচ থমাস টুখেল নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করলেও দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে ইংলিশ ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডনের মতে, মাঠের দুই দলের শক্তির লড়াইয়ে ব্যবধান খুব একটা বেশি ছিল না।