ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাবার জন্য ছোট্ট তুবার আকুতি: ভাইরাল সেই ঘটনার পেছনের গল্প পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি, আটকে গেল রূপপুরের জ্বালানি যুদ্ধের আতঙ্ক মাথায় নিয়েই নতুন শিক্ষাবর্ষে ফিরল ইরানি শিশুরা দক্ষিণ আফ্রিকার একুরহুলেনি এলাকায় দুই মাসে ১১ নারীর মরদেহ উদ্ধার ইউরোপে নাশকতার বড় পরিকল্পনা করছে রাশিয়া: ইইউ সতর্কতা দুই দফা মার্কিন হামলা থেকে যেভাবে বাঁচলেন মোজতাবা হরমুজে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৮ মার্কিন মেরিন সেনা আহত মিয়ানমার সেনার বিমান হামলায় রক্তাক্ত রাখাইন, নিহত ৩৩ ও আহত ৩৬ আরব সাগর থেকেও শত্রু বাহিনীকে হটিয়ে দেওয়া হবে: খামেনি সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে তল্লাশি, ২০টির বেশি বিস্ফোরক উদ্ধার

প্রাথমিকে নিয়োগবঞ্চিত ৮১৭ জনের চাকরি নিয়ে বড় ঘোষণা মন্ত্রীর


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৫:১০ পিএম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকা বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এক বিরাট স্বস্তির বার্তা দিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন যে, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা কারণে এতদিন বঞ্চিত থাকা ৮১৭ জন যোগ্য প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে চূড়ান্তভাবে চাকরি প্রদান করা হবে। রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে অবস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় তিনি এই আশার বাণী শোনান।


সভায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কার্যকালে অনুষ্ঠিত অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। অত্যন্ত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশৃঙ্খলভাবে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সফল করার জন্য মন্ত্রণালয় শুরু থেকেই অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নিয়োগের চূড়ান্ত ধাপের অংশ হিসেবে আমাদের দপ্তরে ৮৫৪ জনের চূড়ান্ত আবেদনপত্র এসেছে এবং পরবর্তীতে যথাযথ ডিপিও ইস্যু করার মাধ্যমে তাদের অনেকের হাতেই নিয়োগপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।


তবে এই সুবিন্যস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে প্রার্থীদের পুলিশ ও প্রশাসনিক ভেরিফিকেশন বা তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের সময় কিছু জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছিল। মন্ত্রী জানান, ভেরিফিকেশনের এই কার্যক্রমে অনেক প্রার্থীর ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে সামনে চলে আসে, যার ফলে তাদের চূড়ান্ত নিয়োগপত্র প্রদানে কিছুটা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়। তবে প্রার্থীরা পর্যায়ক্রমে তাদের সঠিক ও হালনাগাদ ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রণালয় এই বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত রিভিউ বা পর্যালোচনা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যা আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।


বর্তমান পরিস্থিতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, চলমান প্রক্রিয়া শেষে এই মুহূর্তে মোট ৮১৭ জন প্রার্থী নিয়োগবঞ্চিত অবস্থায় রয়েছেন। তবে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিতে মন্ত্রণালয় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যেই এই বঞ্চিতদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরেও যদি কোনো প্রার্থী নির্ধারিত ওই সময়ের মধ্যে কোনো কারণে নিয়োগ না পান, তবে তাদের বিষয়টিও মন্ত্রণালয়ের বিশেষ পর্যবেক্ষণে থাকবে এবং তাদের জন্যও পরবর্তী সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।



এ সম্পর্কিত আরো খবর